Breaking News
সমাজকর্মের পদ্ধতি

(সমাজকর্ম-১ম) এইচএসসি: সমাজকর্মের পদ্ধতি’র সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর

সমাজকর্মের পদ্ধতি হচ্ছে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী অর্থাৎ এইচএসসি’র সমাজকর্ম ১ম পত্রের ষষ্ঠ অধ্যায়। সমাজকর্মের পদ্ধতি অধ্যায় থেকে বাছাইকৃত সেরা ৫টি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

সমাজকর্মের পদ্ধতি সৃজনশীল

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : কামাল পাড়ার ছেলেদের সাথে আড্ডা দিতে দিতে এক সময় মাদকাসন্ত হয়ে পড়ে। মাদকদ্রব্য ক্রয়ের জন্য পরিবারের সবার সাথে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। ঘরের জিনিসপত্র চুরি করতে শুরু করে। কামাল এর পিতা তার সহকর্মীর নিকট থেকে পরামর্শ নিয়ে কামালকে পেশাদার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করিয়ে দেয়। সেখানে একজন সমাজকর্মীর তত্ত্বাবধান ও কাউন্সিলিং থেকে কামাল চিকিৎসা নিচ্ছে। সমাজকর্মী কামালকে সমাজকর্মের পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে সহায়তা করছেন।

ক. সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতি কয়টি?
খ. ব্যক্তি সমাজকর্মের একটি উপাদান ব্যাখ্যা করো।
গ. কামালের সমস্যা সমাধানে সমাজকর্মী সমাজকর্মের কোন মৌলিক পদ্ধতির জ্ঞান প্রয়োগ করেছেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে সমাজকর্মী মৌলিক পদ্ধতিটির কোন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে কামালের সমস্যার সমাধান দিতে পারে? বিশ্লেষণ করো।

১ নং প্রশ্নের উত্তর

ক. সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতি তিনটি।

খ. ব্যক্তি সমাজকর্মের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে ব্যক্তি। ব্যক্তি বলতে সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তিকে বোঝায়। যিনি সমস্যা সমাধানের জন্যে সাহায্যপ্রার্থী সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি নিজে বা তার পরিবারের কোনো সদস্য অথবা শুভাকাঙ্ক্ষী সমস্যা সমাধানের জন্যে সমাজকর্মী বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করলেই তাকে ব্যক্তি সমাজকর্মের উপাদান হিসেবে গণ্য করা হয়। এই সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তিকেই নিয়ে ব্যক্তি সমাজকর্ম আবর্তিত হয়।

গ. কামালের সমস্যা সমাধানে সমাজকর্মী ব্যক্তি সমাজকর্ম (Social Case Work) পদ্ধতির জ্ঞান প্রয়োগ করেছেন।
ব্যক্তি সমাজকর্ম মূলত সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তিকে (Problemetic Person) নিয়ে কাজ করে। এক্ষেত্রে তাকে এমনভাবে সহায়তা করা হয়, যাতে সে নিজ সমস্যা মোকাবিলা এবং সামাজিক ভূমিকা পালন করার ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সক্ষম হয়। এ পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যক্তির সুপ্ত ক্ষমতার বিকাশ সাধন এবং তাকে স্বাবলম্বী করে তোলার প্রয়াস চালানো হয়।
উদ্দীপকে একটি ব্যক্তিগত সমস্যার দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে। দেখা যায়, কামাল সঙ্গদোষে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। এ সমস্যা থেকে বের করে আনার জন্য তাকে একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে একজন সমাজকর্মী ব্যক্তিকেন্দ্রিক সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে তাকে সহায়তা করছেন। তার প্রধান দায়িত্ব হলো সমাজকর্মের জ্ঞান ব্যবহার করে কামালকে সমস্যা মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলা। প্রকৃতপক্ষে মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রচুর মানসিক দৃঢ়তা অর্জন করতে হয়। এজন্য সাহায্যার্থীর (Client) সঠিক নির্দেশনা, সহায়তা ও মানসিক সমর্থনের প্রয়োজন পড়ে। আর ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতির সাহায্যে সাহায্যার্থীকে অনুরূপ সহায়তা প্রদান করা হয়। এর ফলে সে সমস্যা মোকাবিলার সামর্থ্য অর্জন করে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে সমাজকর্মী ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতি অনুসারেই কামালের সমস্যা সমাধানে কাজ করছেন।

ঘ. উদ্দীপকে সমাজকর্মী ব্যক্তি সমাজকর্মের সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়া অবলম্বন করে কামালের সমস্যার সমাধান দিতে পারেন।
ব্যক্তি সমাজকর্মে সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়া বলতে সাধারণত সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তির সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গৃহীত ধারাবাহিক ও বিজ্ঞানসম্মত কার্যপ্রণালিকে বোঝায়। এই নির্দিষ্ট কার্যপ্রণালি অনুসরণের মাধ্যমেই সমস্যার সঠিক সমাধানে উপনীত হওয়া সম্ভব, যা উদ্দীপকের কামালের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
কামালের সমস্যা সমাধানে সমাজকর্মীকে প্রথমেই তার সমস্যা সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, যে প্রক্রিয়াকে মনো-সামাজিক অনুধ্যান বলে। এরপর তিনি অন্তবর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে কামালকে মানসিকভাবে সাহস ও প্রেরণা দান করবেন। এর ফলে তার মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরে আসবে। সমাজকর্মীর পরবর্তী কাজ হবে কামালের সমস্যার প্রকৃতি ও কারণ নির্ণয় করা। কেননা, এটি নির্ণয়ের মাধ্যমে সমস্যা মোকাবিলার উপায় নিরূপণ করা সমাজকর্মীর জন্য সহজ হবে। সমস্যা নির্ণয়ের পর তিনি কামালের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ সমর্থনমূলক পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে। তবে সমস্যা সমাধানের পর গৃহীত ব্যবস্থার সফলতা ও বিফলতা অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে। এর সাথে সমাজকর্মীকে কামালের সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ বা অনুসরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে কামালকে উন্নত সেবার জন্য অন্যত্র প্রেরণের ব্যবস্থাও নিতে হতে পারে। সর্বশেষ ধাপ হিসেবে সমাজকর্মী কামালের সমস্যার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটাবেন।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : রাজগঞ্জ একটি সমৃদ্ধ উপজেলা। এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় দ্রুত বিভিন্ন শিল্প-কলকারখানা সম্প্রসারিত হয়েছে। এখানে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন সেবামুখী সামাজিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ এলাকার প্রায় আশি ভাগ মানুষ চাকরিজীবী এবং পঁচানব্বই ভাগ মানুষই শিক্ষিত। অন্যদিকে সেনপাড়া উপজেলাটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত এবং অধিকাংশ মানুষই কৃষির উপর নির্ভরশীল।

ক. ব্যক্তি সমাজকর্মের উপাদান কয়টি?
খ. ‘সামাজিক কার্যক্রম’ পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত উপজেলাসমূহের কোনটিতে কোন সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগযোগ্য এবং কেন?
ঘ. বাংলাদেশে উক্ত পদ্ধতি দুটির প্রয়োগক্ষেত্র আলোচনা করা।

২ নং প্রশ্নের উত্তর

ক. ব্যক্তি সমাজকর্মের উপাদান হলো ৫টি। খ. ‘সামাজিক কার্যক্রম’ বলতে পরিকল্পিত ও সংগঠিত উপায়ে সমাজে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
সামাজিক কার্যক্রম সমাজকর্মের একটি সহায়ক পদ্ধতি। এ পদ্ধতি ব্যাপক সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সমাজে বাঞ্ছিত পরিবর্তন ও সংস্কার সাধনের জন্য সামাজিক নীতি, আইন ও প্রশাসনকে প্রভাবিত করে। সমাজ ব্যবস্থায় যে সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত অবস্থা বিরাজ করে তা সচেতন ও পরিকল্পিতভাবে পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত ও বাঞ্ছিত সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই হলো সামাজিক কার্যক্রম।

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজগঞ্জ উপজেলায় সমষ্টি সংগঠন এবং সেনপাড়া উপজেলায় সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি প্রয়োগযোগ্য।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজগঞ্জ একটি সমৃদ্ধ উপজেলা। এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় খুব দ্রুত এখানে শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে। এর সাথে সাথে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন সেবামুখী সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রসার লাভ করেছে। রাজগঞ্জ যেহেতু একটি উন্নত এলাকা এবং এখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহ জনগণের উন্নয়নে কাজ করছে। তাই এ উপজেলার উন্নয়নের ভারসাম্য রক্ষার জন্য সমষ্টি সংগঠন পদ্ধতি অত্যন্ত উপযোগী। কারণ সমষ্টি সংগঠন হলো সামাজিক উন্নতি ও ভারসাম্য রক্ষার জন্য পরিচালিত জনসমষ্টি কেন্দ্রিক সুশৃঙ্খল সেবাকর্ম প্রক্রিয়া। সমষ্টি সংগঠন সুপরিকল্পিত ও সুচিন্তিতভাবে কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার সমাজকল্যাণ চাহিদা ও সমষ্টি সম্পদের মাঝে সামঞ্জস্য বিধান করে।
অন্যদিকে সেনপাড়া উপজেলাটি অত্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত। এর যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত এবং অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই এ উপজেলার ক্ষেত্রে সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি অধিক উপযোগী। কারণ সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতিটি উন্নয়নশীল দেশসমূহে এবং উন্নত দেশের অনুন্নত এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং উন্নয়নের জন্য প্রয়োগ করা হয়। সেনপাড়া উপজেলাটি অনুন্নত বিধায় সেখানে সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতির মাধ্যমে উন্নয়ন করা সম্ভব।

ঘ. উদ্দীপকে উদ্ভ পদ্ধতি দুটি হলো সমষ্টি উন্নয়ন এবং সমষ্টি সংগঠন।
সাধারণত অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশসমূহে সমষ্টি জনগণের আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রসহ সার্বিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনে সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বাসস্থান সংকটের দরুণ কম খরচে গৃহ নির্মাণ প্রকল্প সমস্যার সমাধান করা যায়। এছাড়া গ্রামীণ নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে বিভিন্ন কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস, ধর্মীয় গোঁড়ামি থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য শিক্ষা, মাতৃসদন, দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। অন্যদিকে সমষ্টি সংগঠন মূলত উন্নত দেশসমূহের সমষ্টির কল্যাণে প্রয়োগ করা হয়। বাংলাদেশে গ্রাম ও শহরাঞ্চলে বিভিন্ন সেবামূলক কর্মসূচি, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা, যুবকল্যাণ, নারী কল্যাণ, শ্রমিক কল্যাণ, ভোক্তা, কল্যাণ, পরিবেশ উন্নয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রেও এ সমষ্টি সংগঠন পদ্ধতির প্রয়োগ পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকে রাজগঞ্জ একটি সমৃদ্ধ উপজেলা। সেখানে জনগণের জীবন মান উন্নয়নে বিভিন্ন সেবামুখী সামাজিক প্রতিষ্ঠান কাজ করে। অন্যদিকে সেনপাড়া উপজেলাটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত এবং অধিকাংশ মানুষই কৃষির উপর নির্ভরশীল বিধায় এখানে সমষ্টি উন্নয়ন কার্যক্রম প্রয়োগযোগ্য। পরিশেষে বলা যায় যে, সমস্যা ও সম্পদের সুষম বণ্টনের ক্ষেত্রে সমষ্টি উন্নয়ন ও সমষ্টি সংগঠন ব্যাপকভাবে প্রয়োগযোগ্য। কিন্তু উন্নয়নের মাত্রাগত পরিবর্তনের কারণে পদ্ধতি দুটির প্রয়োগক্ষেত্র ভিন্ন।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : রাতুল দশম শ্রেণিতে পড়ে। তাঁদের শ্রেণিতে ১৫০ জন শিক্ষার্থী। গত পাঁচ বছর যাবৎ তারা এক সাথে লেখাপড়া করছে। রাতুল তার পরিবারের আদরের সন্তান। সে তার পাড়ার ছেলেদের একটি স্পোর্টস ক্লাবের সদস্য।

ক. ব্যক্তি সমাজকর্মের উপাদান কয়টি?
খ. ফলিত গবেষণা বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে কয়টি দলের ইঙ্গিত রয়েছে? নিরূপণ করো।
ঘ. উদ্দীপকে রাতুল একজন ব্যক্তি, দল ও সমষ্টিরও সদস্য -উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

৩ নং প্রশ্নের উত্তর

ক. ব্যক্তি সমাজকর্মের উপাদান ৫টি।

খ. কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে বাস্তব প্রয়োজনে প্রয়োগ করার লক্ষ্যে পরিচালিত গবেষণা হচ্ছে ফলিত বা ব্যবহারিক গবেষণা।
গবেষণা বলতে কোনো বিষয় বা ঘটনা সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও প্রণালিবদ্ধ অনুসন্ধানকে বোঝায়। লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও দৃষ্টিভঙ্গিগত দিক থেকে গবেষণা দুভাগে বিভক্ত। ফলিত গবেষণা তার একটি।

গ. উদ্দীপকে দুইটি দলের ইঙ্গিত রয়েছে- প্রাথমিক দল এবং অন্তর্দল।
প্রাথমিক দল হলো সর্বজনীন দল। এ দল পৃথিবীর সব সমাজেই রয়েছে। সাধারণত প্রত্যক্ষ ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা এবং সহানুভূতির ভিত্তিতে যে দল গড়ে ওঠে, তাকে প্রাথমিক দল বলে। পরিবার হলো এ ধরনের দলের বড় উদাহরণ। উদ্দীপকেও দেখা যায়, রাতুল তার পরিবারের আদরের সন্তান, যা তাকে একটি প্রাথমিক দলের সদস্য হিসেবে প্রমাণ করে।
অন্যদিকে মানুষ প্রাথমিকভাবে যে দলের সদস্য এবং যে দলের প্রতি তার অনুভূতি ও আনুগত্য প্রবল তা হলো অন্তদল। যেমন- পাড়ার বন্ধুবান্ধব, ক্লাব, স্কুলের বন্ধু-বান্ধব প্রভৃতি। উদ্দীপকে বর্ণিত রাতুলের ক্লাসে ১৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। গত পাঁচ বছর ধরে তারা এক সাথে লেখাপড়া করছে। এছাড়া রাতুল পাড়ার অন্য ছেলেদের সাথে একটি স্পোর্টস ক্লাবেরও সদস্য। এ থেকে বোঝা যায়, সে প্রাথমিক দলের পাশাপাশি অন্তর্দলেরও সদস্য।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত রাতুল একজন ব্যক্তি কিন্তু এছাড়া সে দল ও সমষ্টিরও সদস্য।
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজের সদস্য হিসেবে সে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রয়োজন ও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অন্য সদস্যদের ওপর নির্ভরশীল। দলের মাধ্যমে মানুষ তার চাহিদা পুরণ ও সমৃদ্ধি অর্জন করে। তাই বলা যায়, জন্মগতভাবে মানুষ কোনো না কোনো সামাজিক দলের অন্তর্ভুক্ত।
দলবদ্ধ জীবনে মানুষ নিজের স্বার্থ পূরণের জন্য একে অপরের সাথে বিভিন্ন সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এর মাধ্যমে সে ব্যক্তিজীবনের পাশাপাশি সমষ্টিজীবনে প্রবেশ করে। সমষ্টি জীবনের বিভিন্ন বিষয় যেমন- পারস্পরিক সহযোগিতা, অভিন্ন মূল্যবোধ ও আদর্শ, সামাজিক রীতি-নীতি, অর্থনৈতিক কার্যাবলি, সংস্কৃতি প্রভৃতি তার জীবনপ্রণালিকে প্রভাবিত করে। এভাবেই ব্যক্তি নিজেকে সমষ্টির পরিধিতে অন্তর্ভুক্ত করে এবং সমষ্টির একজন সদস্য হিসেবে তার সামাজিক ভূমিকা পালন করে। রাতুলের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, শিক্ষার প্রয়োজন পূরণের জন্য সে | বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছে। এছাড়া সে পাড়ার একটি স্পোর্টস ক্লাবের সদস্য, যা তাকে একজন ব্যক্তি মানুষের পাশাপাশি দল ও সমষ্টির সদস্য হিসেবেও উপস্থাপন করেছে।
পরিশেষে বলা যায়, প্রাকৃতিকভাবেই একজন ব্যক্তি ধীরে ধীরে দল ও সমষ্টির সদস্য হিসেবে পরিগণিত হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত রাতুলের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। তাই প্রশ্নোত্ত উদ্ভিটি যথার্থ।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : ছবির মিয়া নদীর পাশে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে। পরিবারের উদ্দেশ্য পূরণে সে বিবিধ জিনিসপত্র সংগ্রহ করে। তার দেখাদেখি আরো কিছু পরিবার সেখানে এসে বসতি স্থাপন করে। এতে ছবির মিয়ার একাকিত্ব দূর হয়। তারা পরস্পরের প্রতি নির্ভরশীল ও সুম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তাদের সন্তানদের মধ্যে সামাজিকীকরণ ও প্রতিভার বিকাশ সাধিত হয়। এমনকি তারা মিলেমিশে নিরাপত্তা লাভ করে, সাহচর্য ও চাহিদা পূরণ করে এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ইত্যাদি সম্ভব হয়।

ক. সামাজিক দল কী?
খ. সামাজিক দলের বৈশিষ্ট্য লেখ।
গ. উদ্দীপকের কীসের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে?
ঘ. ছবির মিয়ার সামাজিক দলের মাধ্যমে কীভাবে উপকৃত হয় তা আলোচনা কর।

৪ নং প্রশ্নের উত্তর

ক. সামাজিক দল হলো দুই বা ততোধিক লোকের সমষ্টি যারা সুনির্দিষ্ট কিছু উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে।

খ. সামাজিক দলের ধারণা বিশ্লেষণ করলে এর কিছু বৈশিষ্ট্য সুস্পষ্ট হয়ে উঠে।
মানুষ সামাজিক জীব। আর মানুষ সামাজিক দল গঠন করে সমাজবদ্ধভাবে বসবাসের মাধ্যমে কতকগুলো সাধারণ স্বার্থ ও লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করে। এখানে দুই বা ততোধিক লোকের সমাবেশ ঘটে এবং সদস্যদের মধ্যে দলীয় অনুভূতি বিদ্যমান। এর দলীয় কাঠামোতে পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া, নির্ভরশীলতার বন্ধন থাকে এবং বিভিন্ন বিধি-বিধানের আওতায় সামাজিক দল পরিচালিত হয়।

গ. উদ্দীপকে সামাজিক দলের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
মানুষ জন্মগতভাবে কোনো না কোনো সামাজিক দলের অন্তর্ভুক্ত সদস্য হিসেবে তার জীবন পরিচালনা করে। এ প্রেক্ষিতে সামাজিক দল ধারণাটিরও বিকাশ সাধিত হয়েছে। সাধারণত কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দশ্যকে সামনে রেখে যখন কয়েকজন লোক সমষ্টিবন্ধ হয় এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কতকগুলো বিধিবিধান ও পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও পারস্পরিক সম্পর্ক সৃষ্টি করে তখন তাকে সামাজিক দল বলা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, ছবির মিয়া নদীর তীরে বসবাস শুরু করলে আরও কিছু পরিবার সেখানে বসতি স্থাপন করে। এতে তাদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন ও সুম্পর্ক গড়ে উঠে। এ ধরনের নির্ভরশীলতার বন্ধন একদিকে যেমন পারস্পরিক নিরাপত্তার উন্নয়ন ঘটায়, অন্যদিকে তাদের সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে সামাজিকীকরণ ও প্রতিভার বিকাশ ঘটায়। এভাবে একটি সামাজিক দল গড়ে উঠে। প্রতিটি সমাজিক দলের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বিদ্যমান। দলগুলো সাধারণ স্বার্থ ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে সুনির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক অনানুষ্ঠানিক বিধি-বিধানের আওতায় পরিচালিত হয়। যা উদ্দীপকের ছবির মিয়া ও অন্যান্য পরিবারের বসতি স্থাপনের পরবর্তী পর্যায়ে প্রতিফলিত হয়েছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত ছবির মিয়ার সামাজিক দল গড়ে ওঠার ফলে পারস্পরিক সহযোগিতা, সাহচর্য ও চাহিদা পুরণ, নিরাপত্তা প্রাপ্তি প্রভৃতি সুযোগ লাভ করেছে।
সামাজিক দল হলো দুই বা ততোধিক লোকের সমষ্টি যারা কতকগুলো সাধারণ স্বার্থ ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে নির্ভরশীলতা ও নিরাপত্তার বন্ধনে আবদ্ধ হয়। দলের সদস্যদের মধ্যে দলীয় অনুভূতি এবং পরস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বিদ্যমান। এ দল মানসিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে এমনভাবে গড়ে উঠে, যা তাদেরকে আলাদা সত্ত্বা হিসেবে গড়ে তোলে। উদ্দীপকের ছবির মিয়ার বসতির পাশে আরও কিছু লোক বসতি স্থাপনের ফলে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। পারস্পরিক নানা সহযোগিতা বিভিন্ন চাহিদা পূরণে সহযোগিতা, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আদান-প্রদান প্রভৃতি প্রতিটি ক্ষেত্রে ছবির মিয়া উপকার ভোগের সুযোগ পায়। তার পরিবার ও সন্তানেরা মানসিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সামাজিকীকরণ ও প্রতিভার বিকাশের সুযোগ লাভ করে। সামাজিক বন্ধন গড়ে ওঠায় নিরাপত্তা লাভ করে এবং আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বিধি-বিধানের আওতায় শৃঙ্খলা ও সহযোগিতাপূর্ণ জীবন যাপন করতে পারবে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, ছবির মিয়া সামাজিক দলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক এবং মনস্তাত্ত্বিক সন্তুষ্টি অর্জন, চাহিদা পূরণ ও সমৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে সার্বিকভাবে উপকৃত হয়।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : সুমন একটি পেশাদার সংগঠনের কর্মী হিসেবে করেন। রশিদ দীর্ঘদিন জেল খেটে এলাকায় আসে। কিন্তু সমাজে স্বাভাবিকভাবে খাপ খাইয়ে চলতে পারছে না। তার অপরাধবোধ তাকে লজ্জা দেয়। তাই সে সাহায্যের জন্য সুমনের সংগঠনের কাছে আসে। বিশেষ পদ্ধতি প্রয়োগ করে সুমন তাকে সাহায্য করেন।

ক. সমাজকর্মের পরিভাষায় সমস্যাগ্রস্থ ব্যক্তিকে কী বলে?
খ. সমাজকর্ম গবেষণা বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে রশিদকে সাহায্য করার জন্য কোন বিশেষ পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকে যে বিশেষ পদ্ধতির কথা বোঝানো হয়েছে তার উপাদানগুলো বিশ্লেষণ কর।

৫ নং প্রশ্নের উত্তর

ক. সমাজকর্মের পরিভাষায় সমস্যাগ্রস্থ ব্যক্তিকে সাহায্যপ্রার্থী বলে।

খ. সমাজকর্ম গবেষণা বলতে সাধারণত সমাজকর্মের জ্ঞান ও ধারণাসমূহ প্রতিষ্ঠা, প্রসার ও সাধারণীকরণের জন্য তথ্য সংগ্রহমূলক ধারাবাহিক অনুসন্ধানকে বোঝায়।
সমাজকর্ম গবেষণা পেশাদার সমাজকর্মের অন্যতম সহায়ক পদ্ধতি। মূলত ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির তথা সমাজের বাস্তব সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে সমাজকর্ম গবেষণার সূত্রপাত হয়। এটি মূলত সমাজকর্ম ক্ষেত্রে সৃষ্ট বিভিন্ন প্রশ্ন এবং সমস্যাবলি বিষয়ে সুশৃঙ্খল ও সূক্ষ্ম অনুসন্ধান পদ্ধতি।

গ. উদ্দীপকে রশিদকে সাহায্য করার জন্য ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়।
সমাজকর্মের একটি মৌলিক পদ্ধতি হলো ব্যক্তি সমাজকর্ম। এর মাধ্যমে সমস্যাগ্রস্থ ব্যক্তির সুপ্ত প্রতিভা বা সক্ষমতার বিকাশ সাধনে প্রচেষ্টা চালানো হয়। ব্যক্তিকে তার সামাজিক পরিবেশ ও সমাজের অন্যান্য মানুষের সঙ্গে সচেতন ও কার্যকর সামঞ্জস্য বিধান এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশের ক্ষেত্রে ব্যক্তি সমাজকর্ম সাহায্য করে। সমাজকর্মের এ প্রক্রিয়ায় কতগুলো স্তর বা ধাপ অনুসরণ করে সমস্যা সমাধান করা যায়। এই ধাপগুলো হলো, অনুধ্যান, সমস্যা নির্ণয়, সমাধান, মূল্যায়ন এবং অনুসরণ।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, রশিদ দীর্ঘদিন জেল খাটার পর সমাজে স্বাভাবিকভাবে খাপ খাইয়ে চলতে পারছে না এবং অপরাধবোধে ভুগছে। এ অবস্থায় পেশাদার সমাজকর্মী সুমন তার উপর একটি বিশেষ পদ্ধতি অর্থাৎ ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগের মাধ্যমে সাহায্য করে। এ পদ্ধতিই তার জন্য উপযোগী। কারণ ব্যক্তি সমাজকর্ম মূলত কোনো ব্যক্তির সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় রশিদের তথ্য সংগ্রহ ও অনুধ্যান খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এরপর সমাজকর্মী তথ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সমস্যার প্রকৃতি, কারণ নির্ণয় করেন। পরবর্তী পর্যায়ে, সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তির সমস্যা সমাধানে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এরপর মূল্যায়ন ও পর্যাপ্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তিকে সক্ষম করে তোলা হয়। এ থেকে বলা যায়, ব্যক্তি সমাজকর্মের পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে উদ্দীপকের রশিদ সুস্থ ও স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে।

ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত ব্যক্তি সমাজকর্ম কিছু সুনির্দিষ্ট উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত।
ব্যক্তি সমাজকর্ম কতগুলো অপরিহার্য বিষয়কেন্দ্রিক সাহায্য প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় যেসব বিষয় অপরিহার্য তাই ব্যক্তি সমাজকর্মের উপাদান। এইচ এইচ পার্লম্যানের মতে, কোনো ব্যক্তি তার সমস্যাসহ এমন স্থানে আগমন করে যেখানে পেশাদার প্রতিনিধি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে সহায়তা করে। এ উক্তিটি বিশ্লেষণ করলে ব্যক্তি সমাজকর্মের ৫টি উপাদান পাওয়া যায়। যথা- ব্যক্তি, সমস্যা, স্থান বা প্রতিষ্ঠান, পেশাদার প্রতিনিধি ও প্রক্রিয়া।
উদ্দীপকের রশিদ দীর্ঘদিন জেল খাটার পর লজ্জা ও অপরাধবোধে ভোগেন। এ হিসেবে তিনি সমস্যাগ্রস্থ ব্যক্তি। এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে তিনি একজন পেশাদার প্রতিনিধি সুমনের শরণাপন্ন হন। সুমন একটি পেশাদার প্রতিষ্ঠান বা এজেন্সীর হয়ে কাজ করেন। সমস্যাগ্রস্থ ব্যক্তি রশিদকে সক্ষম করে তুলতে সমাজকর্মী সুমন একটি পদ্ধতির প্রয়োগ করেন। সুমন ও রশিদের মধ্যে যে সকল কর্মকাণ্ড লক্ষ করা যায়, তা ব্যক্তি সমাজকর্মের উপাদানেরই প্রয়োগিক রূপ। ব্যক্তি সমাজকর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ব্যক্তি, যাকে সমাজকর্মের মূল কেন্দ্রবিন্দু বলা হয়। দ্বিতীয় উপাদান হলো সমস্যা, এটি একটি পীড়নমূলক অবস্থা যা সমাজে ব্যক্তির ভূমিকা পালনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। এ পদ্ধতির বাস্তব অনুশীলনের বাহন হলো প্রতিষ্ঠান। ব্যক্তি সমাজকর্মে সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ার সফলতা নির্ভর করে পেশাদার প্রতিনিধির উপর। এ পদ্ধতিতে সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, এ উপাদানগুলোর মাধ্যমে ব্যক্তি সমাজকর্মীর সাথে সাহায্যাথীর পেশাগত সম্পর্ক স্থাপিত হয়। যা সমস্যার কার্যকর সমাধান দেয়।

About admin

Check Also

মানব-কল্যাণ

(সাহিত্যপাঠ) এইচএসসি: মানব-কল্যাণ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর

মানব-কল্যাণ হচ্ছে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থাৎ এইচএসসি’র সাহিত্যপাঠের আবুল ফজল এর প্রবন্ধ। মানব-কল্যাণ প্রবন্ধ থেকে বাছাইকৃত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *